বৈশ্বিকভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্কারোপ ও আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও বাংলাদেশ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে ২৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে এ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনকে সামনে রেখে আয়োজন করা হয় দুই দিনব্যাপী ১৮তম বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপো। গত রোববার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে (আইসিসিবি) এ প্রদর্শনী শুরু হয়। গতকাল ছিল এ আয়োজনের সমাপনী।
এবারের আসরে নিজেদের পোশাক, সুতাসহ অন্যান্য ডেনিম পণ্য প্রদর্শন করছে বিশ্বের ১৩টি দেশ। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, চীন, তুরস্ক, স্পেন, ইতালি, ভিয়েতনাম, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের ৫৭টি ডেনিম প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।
দুই দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীতে ছিল দুটি বিশেষ প্যানেল আলোচনা। প্রথম দিন ছিল ওয়াশিং প্রক্রিয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের ডেনিম শিল্পের অগ্রগতি শীর্ষক আলোচনা। দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশী ডেনিম ট্রেসেবিলিটি নিয়ে আরেকটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের ডেনিম প্রদর্শনীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের নতুন উদ্ভাবন, বাজারে এসব পণ্যের চাহিদা, মূল্য, রফতানি বাণিজ্যসহ নানা বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।
এবারের প্রদর্শনীতে আমেরিকান অ্যান্ড ইফার্ড বাংলাদেশ লিমিটেড, আর্গন ডেনিমস লিমিটেড, আসুটেক্স, আজগার্ড নাইন লিমিটেড, বেস্ট টেক্স কেমিক্যালস লিমিটেড, ব্ল্যাক পিওনি টেক্সটাইল কোম্পানি লিমিটেড, ব্লুসাইন টেকনোলজিস এজি, চ্যাংঝৌ জিংফা টেক্সটাইল কোম্পানি লিমিটেড, চ্যাংঝৌ কাইলান টেক্সটাইল কোম্পানি লিমিটেড, চেরি বাটন লিমিটেড, ক্লোরিস বায়োকেম ল্যাবরেটরি এলএলসি, গুয়াংজু এইচ অ্যান্ড এইচ টেক্সটাইল কোম্পানি লিমিটেড, হারবার্ট কান্নেগিসার জিএমবিএইচ, শাওশিং ফেইফানলান টেক্সটাইল কোম্পানি লিমিটেড, সিদ্দিকসন্স লিমিটেডসহ ৫৭টি ডেনিম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।